838556
জন সাইটটি দেখেছেন
কিডস্ জোন

শিশু ও শিশুর অধিকার

সাবালকত্ব প্রাপ্তির পূর্ব পর্যন্ত সময়কালীন মানবসন্তানকে শিশু নামে অভিহিত করা হয়। এই সাবালকত্ব প্রাপ্তির বয়স সব দেশে এক নয়। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন বয়স নির্দিষ্ট করে শিশুত্বের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুর বয়ঃসীমা ১৬ বছর ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনে শিশুর বয়ঃসীমার তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। শিশু (শ্রমবন্ধক) আইনে শিশু বলতে ১৫ বছর বয়সীকে বোঝানো হয়েছে। দোকান ও প্রতিষ্ঠান আইনে ১২ বছরের কম বয়সীকে শিশু বলা হয়। আবার কারখানা আইনে শিশুর বয়স অনূর্ধ্ব ১৬ বছর।
জাতিসংঘ ঘোষিত শিশু-অধিকার বিষয়ক সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা মোতাবেক সর্বোচ্চ ১৮ বছর বয়সীদের শিশু বলা হয়। অধিকাংশ উন্নত দেশে ১৮ মাস থেকে ১৩ বছর বয়সীদের শিশু বলে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ ১৩ বছর বয়সের মধ্যেই শিশু থেকে একজন বয়স্ক মানুষের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে। এ সময় শিশুর চিন্তা, ব্যবহার, মানসিক অবস্থা ইত্যাদিতে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়।
শিশুদের স্বাভাবিক দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে এবং এদের বিভিন্ন বয়সের মৌলিক চাহিদা পূরণের বিষয়ে বাবা-মা, সমাজ ও রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৪তম অধিবেশনে শিশুদের মৌলিক অধিকারসমূহ মোট ৫৪টি ধারায় বর্ণিত হয়েছে, যা ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। শিশুদের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ সনদকে আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত করার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এতে স্বাক্ষর করেছে।
শিশু অধিকার সম্পর্কে ১৯২৪ সালের জেনেভা ঘোষণা ও ১৯৫৯ সালের শিশু অধিকার ঘোষণায় শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্নের কথা বর্ণিত হয়েছে। এবং সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায়, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালায় (বিশেষভাবে ২৩ ও ২৪ অনুচ্ছেদ), অর্থনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালায় (বিশেষভাবে ১০ অনুচ্ছেদ) এবং শিশুকল্যাণের কাজে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অপরাপর বিশেষ সংগঠনসমূহের বিধি-বিধান ও প্রাসঙ্গিক দলিলপত্রেও তা স্বীকৃত রয়েছে।

শিশুর খাদ্য

নবজাতকের খাদ্য

১. ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই শিশুর জন্য সেরা খাবার। এ সময়ে তার অন্য কোনো খাবারের দরকার নেই।
২. ৬ মাস বয়স পূর্ণ হলে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে।
৩. ২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে ঘন ঘন খাওয়ানো প্রয়োজন।
৪. ১ থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুকে অন্যান্য স্বাভাবিক খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুর স্বাভাবিক খাবারের সাথে চিনি/গুড় মেশানো উচিত।
৫. শিশুর পুষ্টির জন্য প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ প্রয়োজন। যেসব খাবারে ভিটামিন ‘এ’ আছে সেগুলো হলো মায়ের দুধ, গাঢ় সবুজ ও রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল।
৬. অসুস্থ অবস্থায় শিশুকে বুকের দুধসহ স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। অসুখ সেরে যাবার পর অন্তত ২ সপ্তাহ শিশুকে প্রতিদিন অতিরিক্ত একবার খেতে দেয়া প্রয়োজন।
সুতরাং শিশুকে সুস্থ, সবল ও বুদ্ধিমান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তার খাদ্য গ্রহণের দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। সেই সাথে লক্ষ্য রাখা দরকার, জন্মের পর থেকেই যেন শিশুর শরীর ঠিকমতো বাড়ে, তার মানসিক বিকাশ যথাযথ হয় এবং সে হাসিখুশি থাকে।

স্কুলগামী শিশু ও কিশোরদের খাদ্য

স্কুলগামী শিশু-কিশোরদের (পাঁচ বছর এবং তার বেশি বয়সে) দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং তারা খুব চঞ্চলও হয়। সে কারণে তুলনামূলকভাবে এদের খাদ্যে ক্যালরি ও পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন বেশি হয়। প্রোটিন, ভিটামিন ও কিছু খনিজ উপাদান এ বয়সে প্রায় বড়দের সমান, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে (যেমন–ক্যালসিয়াম) দরকার হয়। শিশু-কিশোরদের এমন খাবার দেয়া উচিত যাতে তা পরিমাণে খুব বেশি না হয়। বাড়ন্ত শিশুর শরীরের প্রয়োজনে প্রতিটি খাদ্য উপাদান যাতে সে পরিবারের স্বাভাবিক খাবারের মধ্য হতে পায় সেদিকে বাবা-মাকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান কোন কোন খাবারে থাকে তা এখানে দেয়া হলো : ১। শর্করা—ভাত, রুটি বা পরোটা, পাউরুটি, আলু, মিষ্টি আলু ইত্যাদি।
২। প্রোটিন বা আমিষ—মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, শিমের বীচি, মটরশুটি ইত্যাদি।
৩। চর্বি বা ফ্যাট—তেল, ঘি, চর্বিযুক্ত মাছ বা মাংস।
৪। ভিটামিন ও খনিজ—
ক) শাকসবজি; যেমন–পাতাশাক, ফুলকপি, টমেটো, বেগুন, কাঁচা পেঁপে, ঝিংগা, চালকুমড়া, লাউ, কাকরল, ঢেড়স, কচু, গাজর, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি।
খ) ফল; যেমন–আম, কাঁঠাল, কলা, আনারস, পেঁপে, কমলা, পেয়ারা, জাম, আমলকী, লেবু, তরমুজ প্রভৃতি।
উল্লেখ্য, স্কুলগামী শিশু-কিশোরদের খাদ্যের মূল অংশ আসবে শর্করা, তারপর প্রোটিন ও ফ্যাট এবং অবশ্যই কিছু অংশ ভিটামিন ও খনিজ জাতীয় খাবার হতে।

খাদ্য নির্বাচন

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য খাদ্য একটি অপরিহার্য বিষয়। আর এক্ষেত্রে খাদ্য অবশ্যই সুষম হওয়া প্রয়োজন। সুষম খাদ্যের তালিকা তৈরি করতে হলে খাদ্যের পুষ্টিগত গুণাগুণ ছাড়াও অনেক ধরনের বিষয়কে বিবেচনায় আনতে হয়। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খাদ্যাভ্যাস, তৃপ্তি-অতৃপ্তি ইত্যাদি বহু বিষয় হিসেবের মধ্যে রেখে খাদ্য তালিকা তৈরি করতে হয়। তবে সবক্ষেত্রেই নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে :
ক. খাদ্য যথেষ্ট পরিমাণ হতে হবে যা শরীরের ওজনকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখবে―খুব বাড়াবেও না বা খুব কমাবেও না।
খ. খাদ্যের পরিমাণের ওপর নয় বরং কোন খাদ্য থেকে কত ক্যালরি পাওয়া যেতে পারে তার উপরেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
গ. বিভিন্ন বয়সের জন্য বিভিন্ন খাদ্য তালিকা তৈরি করতে হবে। সাধারণভাবে ছেলেরা বেশি কাজ করে, তাই তাদের খাবার পরিমাণও বেশি হবে।
ঘ. খাদ্যে প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই যেন থাকে সে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। একই ধরনের খাবার বেশি না খেয়ে বরং কম পরিমাণে হলেও বিভিন্ন উপাদানসম্পন্ন খাবার মিশিয়ে খাওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে পরিপূরক খাবারগুলোর (যেমন– ভাত ও ডাল) কথা খেয়াল রাখতে হবে।
ঙ. বেশি দামী খাবার খেলেই যে বেশি উপকার হবে এ কথা ভুলে গিয়ে কম দামেও কত উচ্চ গুণবিশিষ্ট খাবার পাওয়া যেতে পারে তা দেখতে হবে। এ প্রসঙ্গে নিজস্ব অঞ্চলের খাবারের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এবং ঋতুভেদে সেগুলোর প্রাপ্যতার কথা খেয়াল রাখতে হবে।
চ. শাকসব্জির চাষ ও হাঁস-মুরগি পালনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সবুজ শাকসব্জি ও দৈনিক একটি ডিম দেহকে অনেক ব্যাধি থেকে রক্ষা করতে পারে।
ছ. পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। বিশেষ করে খাদ্যনালীর অসুখ থাকলে ভালো খাবার খেয়েও কোনো কাজ হবে না।
জ. খাবার সুস্বাদু হওয়া ভালো কিন্তু তাই বলে অতিরিক্ত মসলা না দেয়াই বাঞ্ছনীয়।
ঝ. অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করার প্রয়োজন হতে পারে।

শিশুর বিকাশ

জন্মের পর থেকেই শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে শিশুকে স্পর্শ করা, কোলে বা বুকে নেয়া দরকার এবং আদর-সোহাগ করা দরকার। শিশু পরিচিত মুখ ও মুখের অভিব্যক্তি দেখতে এবং পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনতে চায়। সে চায় অন্যেরা তার প্রতি সাড়া দিক। এছাড়া শিশু নতুন নতুন ও আকর্ষণীয় বস্ত্ত দেখতে, ধরতে এবং তা নিয়ে খেলা করতে চায়। সুতরাং শিশুর স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু বিকাশে নিচের বিষয়গুলোর দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে―
১। জন্মের পর থেকেই শিশু দ্রুত শিখতে শুরু করে। মানুষের মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ২ বছর বয়সের মধ্যেই প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যায়। শিশুর সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বড়দের ভালবাসা ও মনোযোগ।
২। শিশুর বিকাশে খেলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খেলার মাধ্যমে শিশুর দেহ ও মনের অনুশীলন হয় এবং এই প্রক্রিয়ায় সে পৃথিবী সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করে। মা-বাবা শিশুর খেলায় সাহায্য করতে পারেন। শিক্ষক সম্প্রদায় এবং শিশু-পরিচর্যার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের উচিত শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর ব্যবস্থা করা।
৩। নিকটজনের আচার-আচরণের অনুকরণে শিশুরা আচার-আচরণ করে।
৪। কচি শিশু অল্পেই রেগে যায়, ভয় পায় কিংবা কান্নাকাটি করে। ধৈর্য, বুঝ ও সহানুভূতি নিয়ে তার আবেগ-অনুভূতির প্রতি সাড়া দিলে সে সুস্থ মন ও মানসিক ভারসাম্য নিয়ে বেড়ে ওঠে এবং তার আচার-আচরণ সুন্দর হয়।
৫। শিশু ঘন ঘন সম্মতি ও উৎসাহ পেতে চায়। শারীরিক নির্যাতন বা শাস্তি শিশুর বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।
৬। শিশুর জীবনের প্রথম বছরগুলোতে মা-বাবা তার স্কুল জীবনের সুশিক্ষার ভিত তৈরি করে দিতে পারেন।
৭। শিশুর বিকাশ মূল্যায়নে মা-বাবাই শ্রেষ্ঠ বিচারক। সুতরাং যেসব লক্ষণ থেকে বোঝা যায় যে শিশুর স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু বিকাশ ঘটছে না কিংবা তার বিকাশে সমস্যা হচ্ছে সেসব লক্ষণ সম্পর্কে মা-বাবাকে জানতে হবে।

শিশুর রোগ ও প্রতিকার

শিশুর টিকা

টিকা দিয়ে যেসব রোগ প্রতিরোধ করা যায়, বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সের শিশুদের মধ্যে সেসব রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। এ কারণে প্রত্যেক শিশুকে সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দিতে হবে। টিকা দেয়ার মাধ্যমে পোলিও, ধনুষ্টঙ্কার, হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি এবং যক্ষ্মা― এই ৬টি মারাত্মক রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করা যায়। ইনজেকশনের মাধ্যমে অথবা মুখে খাইয়ে ১ বছর বয়সের মধ্যেই শিশুকে এ টিকা দেয়া হয়। এসব রোগের বিরুদ্ধে টিকা শিশুর দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। নিচের প্রদত্ত সময়সূচি অনুযায়ী শিশুকে এ টিকা দিতে হবে:

রোগের নাম

টিকার নাম

ডোজের সংখ্যা

টিকা দেওয়ার বয়স

যক্ষ্মা

বিসিজি

জন্মের পর থেকে

ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও ধনুষ্টঙ্কার

ডিপিটি

, ১০ ও ১৪ সপ্তাহ

হেপাটাইটিস বি

হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন

, ১০ ও ১৪ সপ্তাহ

পোলিও মাইলাইটিস

ওপিভি

, ১০, ১৪ ও ৩৮ সপ্তাহ

হাম

হামের টিকা

৩৮ সপ্তাহ

রাতকানা

ভিটামিন ‘এ’

৩৮ সপ্তাহ

উল্লেখ্য, টিকা দেয়ার পর কখনো কখনো শিশুর শরীরে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও বেশির-ভাগ ক্ষেত্রেই তা আপনা-আপনিই ভালো হয়।

শিশুদের গ্রহণ উপযোগী কিছু বই

নং

প্রচ্ছদ

বই

লেখক/ সম্পাদক

প্রতিষ্ঠান

ছোটদের বাংলাপিডিয়া

১ম ও ২য় খণ্ড

সম্পাদনা পরিষদ

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

 

শিশু বিশ্বকোষ

১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম ণ্ড

সম্পাদনা পরিষদ

বাংলাদেশ শিশু একাডেমী

 

ছোটদের বিজ্ঞানকোষ

১ম ও ২য় ণ্ড

সম্পাদনা পরিষদ

বাংলাদেশ শিশু একাডেমী

 

ছোটদের বিশ্বকোষ

১ম ও ২য় ণ্ড

সম্পাদনা পরিষদ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

 

বাংলা একাডেমী ছোটদের অভিধান

আজহার ইসলাম ও অন্যান্য

বাংলা একাডেমী

 

নির্বাচিত নজরুল শিশুসাহিত্য

সম্পাদিত

বাংলাদেশ শিশু একাডেমী

 

নির্বাচিত রবীন্দ্র শিশুসাহিত্য

সম্পাদিত

বাংলাদেশ শিশু একাডেমী

শিশুদের গ্রহণ উপযোগী কিছু ওয়েবসাইট

বর্ণমালা - বাংলা বর্ণমালা শিক্ষা

http://www.barnamala.com/barna.html

বাঙালীনেট - বাংলা বর্ণমালা শিক্ষা

http://www.bangalinet.com/learn_bangla.htm

কিডজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম- বর্ণমালা/কমিকস্/গেমস/ম্যাজিক/পাজল

http://kidz.bdnews24.com/

এবিসি ফর কিডস - গেমস্/কার্টুন/ভিডিও/টিভি শো

http://www.abc.net.au/abcforkids/

ম্যাথ ক্যাটস - ইংরেজি বর্ণ ও অংক বিষয়ক মজার মজার কার্টুন ও গেমস

http://www.mathcats.com/index.html#contents

ম্যাথ ইজ ফান - সংখ্যা/পরিমাপ/ডিকশনারি/গেমস/পাজল

http://www.mathsisfun.com/

ডিজনিডটকম - গেমস্/কার্টুন

http://disneyinternational.com/

পিবিএস কিডস - গেমস্/কার্টুন/ভিডিও

http://pbskids.org/

ফোরকিডস্ - গেমস্/ভিডিও/মুভি

http://www.4kids.tv/

নাসা কিডস্ - শিশু-কিশোর উপযোগী মহাকাশ বিষয়ক ভিডিও

http://www.nasa.gov/audience/forstudents/k-4/index.html

ইসলামিক প্লেগ্রাউন্ড ডটকম - আরবি বর্ণমালা শিক্ষা/পাজল/গেমস

http://www.islamicplayground.com/scripts/default.asp

মুসলিম কিডস্ ভ্যালি - ইসলামী জ্ঞান/পাজল/গেমস্/গল্প/গান

http://www.muslimkidsville.com/

লার্নিং গেমস্ ফর কিডস্ ডটকম - অংক শিক্ষা/ফান/গেমস্/পাজল/ভিডিও

http://www.learninggamesforkids.com/

প্লে কিডস্ গেমস ডটকম - ফান/পাজল/গেমস

http://www.playkidsgames.com/

লার্নিং প্লানেট ডটকম- বয়সভিত্তিক বর্ণ ও অংক শিক্ষা/গেমস/পাজল

http://www.learningplanet.com/stu/index.asp

কিডস নো ইট - শিক্ষামূলক গেমস ও জীবজগৎ নিয়ে তথ্য

http://www.kidsknowit.com/

কিডস নান্বার ডটকম - অংকবিষয়ক পাজল/গেমস/টিপস্

http://www.kidsnumbers.com/